ভ্যাপসা গরমে হাঁসফাঁস করার সময় এসে গিয়েছে। এখনও তীব্র গরমের সে রকম দাপট শুরু হয়নি। গরমের তীব্রতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে শরীরে জলশূন্যতার সমস্যাও জাঁকিয়ে বসে। সেই পরিস্থিতিতে কি শুধু জল খেয়েই শরীর সুস্থ রাখা যাবে? না কি ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য অন্য উপাদানেরও দরকার রয়েছে? সম্প্রতি প্রবীণ অভিনেত্রী ভাগ্যশ্রী এই বিষয়েই গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরামর্শ দিয়েছেন, যা গরমে সুস্থ থাকার জন্য খুবই কার্যকরী হতে পারে।
অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামের ভিডিয়োর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘‘দোলের পর থেকেই ভ্যাপসা গরম শুরু হয়ে যায়। এই সময় থেকেই হাইড্রেটেড থাকার কথা মনে করিয়ে দেওয়া দরকার। কিন্তু শুধু জল নয়, জলের সঙ্গে সঠিক নুন মেশাতে হবে।’’
নুন-জল অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রোলাইটের কথা বলা হচ্ছে। নানা খনিজের ভারসাম্য যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালশিয়াম ইত্যাদির ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার শরীরে। এই খনিজগুলি জলে দ্রবীভূত হলে বৈদ্যুতিক চার্জ (আয়ন) তৈরি করে। এগুলি স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা, শরীরে জলের ভারসাম্য এবং অম্ল-ক্ষারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীর ইলেকট্রোলাইট পায় নানা ধরনের খাবার ও পানীয় থেকে। সেখান থেকেই কাজ করার শক্তি পায় শরীর।
শুধু জল কেন যথেষ্ট নয়?
গরমে ঘাম বেশি হলে শরীর থেকে শুধু জলই নয়, সঙ্গে বেরিয়ে যায় প্রয়োজনীয় নুন বা ইলেক্ট্রোলাইট, যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড। এই উপাদানগুলি শরীরের জলীয় ভারসাম্য, স্নায়ুর কাজ এবং কোষে জল পৌঁছোনোর জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই শুধু জল খেলেই সেই ঘাটতি পূরণ হয় না। প্রত্যেকটি খনিজের গুরুত্ব ভিন্ন এবং অপরিহার্য।
শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট কমে গেলে কী হয়?
• মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা
• অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি
• অতিরিক্ত ক্লান্তি
এ সবই ইঙ্গিত দিতে পারে যে শরীরে প্রয়োজনীয় লবণের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
কখন কখন ইলেক্ট্রোলাইট বেছে নেবেন?
সাধারণ ডায়েটে থাকলে: সাধারণ সময়ে খাবারদাবারের মধ্যেই জলের ঘাটতি মেটানো যায়। জলীয় উপাদান বেশি, এমন সব্জি ও ফল বেছে নিলেই শরীর ভাল থাকে। সেই সময়ে সাধারণ জল দিয়েও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। প্রচুর শরীরচর্চা না করলে জলই যথেষ্ট।
শরীরচর্চার পরে: রোদে বা ঘরের ভিতর প্রচণ্ড ঘেমেনেয়ে ব্যায়াম করলে শরীর থেকে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম বেরিয়ে যেতে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ইলেক্ট্রোলাইটের দরকার। জলের মধ্যে অল্প নুন আর লেবু মিশিয়ে খেতে পারেন। প্রয়োজনে মধুও দেওয়া যায়।
রক্তচাপ কমে গেলে: ক্লান্তি ও মাথা ঘোরানোর প্রবণতা দেখা গেলে বুঝতে হবে, সোডিয়াম কমে গিয়েছে শরীর থেকে। সেই সময়ে সোডিয়ামের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নুন-চিনির জল খাওয়া উচিত সে ক্ষেত্রে।
গরমের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হলে: প্রচণ্ড গরমে জলাভাব, পেটখারাপ, বমির সমস্যা শুরু হলে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় লবণ বেরিয়ে যায়। তখনও নুন-জল খেয়ে শরীর ঠিক করা উচিত। তবে সে ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া উচিত আগে।
অভিনেত্রী ইনস্টাগ্রামের ভিডিয়োর ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘‘দোলের পর থেকেই ভ্যাপসা গরম শুরু হয়ে যায়। এই সময় থেকেই হাইড্রেটেড থাকার কথা মনে করিয়ে দেওয়া দরকার। কিন্তু শুধু জল নয়, জলের সঙ্গে সঠিক নুন মেশাতে হবে।’’
নুন-জল অর্থাৎ এ ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রোলাইটের কথা বলা হচ্ছে। নানা খনিজের ভারসাম্য যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং ক্যালশিয়াম ইত্যাদির ভারসাম্য বজায় রাখা দরকার শরীরে। এই খনিজগুলি জলে দ্রবীভূত হলে বৈদ্যুতিক চার্জ (আয়ন) তৈরি করে। এগুলি স্নায়ু ও পেশির কার্যকারিতা, শরীরে জলের ভারসাম্য এবং অম্ল-ক্ষারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মানুষের শরীর ইলেকট্রোলাইট পায় নানা ধরনের খাবার ও পানীয় থেকে। সেখান থেকেই কাজ করার শক্তি পায় শরীর।
শুধু জল কেন যথেষ্ট নয়?
গরমে ঘাম বেশি হলে শরীর থেকে শুধু জলই নয়, সঙ্গে বেরিয়ে যায় প্রয়োজনীয় নুন বা ইলেক্ট্রোলাইট, যেমন সোডিয়াম, পটাশিয়াম, ক্লোরাইড। এই উপাদানগুলি শরীরের জলীয় ভারসাম্য, স্নায়ুর কাজ এবং কোষে জল পৌঁছোনোর জন্য অত্যন্ত জরুরি। তাই শুধু জল খেলেই সেই ঘাটতি পূরণ হয় না। প্রত্যেকটি খনিজের গুরুত্ব ভিন্ন এবং অপরিহার্য।
শরীরে ইলেক্ট্রোলাইট কমে গেলে কী হয়?
• মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা
• অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো অনুভূতি
• অতিরিক্ত ক্লান্তি
এ সবই ইঙ্গিত দিতে পারে যে শরীরে প্রয়োজনীয় লবণের ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
কখন কখন ইলেক্ট্রোলাইট বেছে নেবেন?
সাধারণ ডায়েটে থাকলে: সাধারণ সময়ে খাবারদাবারের মধ্যেই জলের ঘাটতি মেটানো যায়। জলীয় উপাদান বেশি, এমন সব্জি ও ফল বেছে নিলেই শরীর ভাল থাকে। সেই সময়ে সাধারণ জল দিয়েও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখা যায়। প্রচুর শরীরচর্চা না করলে জলই যথেষ্ট।
শরীরচর্চার পরে: রোদে বা ঘরের ভিতর প্রচণ্ড ঘেমেনেয়ে ব্যায়াম করলে শরীর থেকে সোডিয়াম ও পটাশিয়াম বেরিয়ে যেতে পারে। তাই এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ইলেক্ট্রোলাইটের দরকার। জলের মধ্যে অল্প নুন আর লেবু মিশিয়ে খেতে পারেন। প্রয়োজনে মধুও দেওয়া যায়।
রক্তচাপ কমে গেলে: ক্লান্তি ও মাথা ঘোরানোর প্রবণতা দেখা গেলে বুঝতে হবে, সোডিয়াম কমে গিয়েছে শরীর থেকে। সেই সময়ে সোডিয়ামের পরিমাণ বৃদ্ধি করতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নুন-চিনির জল খাওয়া উচিত সে ক্ষেত্রে।
গরমের সঙ্গে মোকাবিলা করতে হলে: প্রচণ্ড গরমে জলাভাব, পেটখারাপ, বমির সমস্যা শুরু হলে শরীর থেকে প্রয়োজনীয় লবণ বেরিয়ে যায়। তখনও নুন-জল খেয়ে শরীর ঠিক করা উচিত। তবে সে ক্ষেত্রেও চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নেওয়া উচিত আগে।
ফারহানা জেরিন